Apan Desh | আপন দেশ
বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্যিক জোটে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাণিজ্য জোট রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। বাংলাদেশসহ চার দেশ ও অঞ্চলের সদস্যপদ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বিশেষ বা অ্যাডহক অ্যাকসেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন করেছেন জোটের বাণিজ্যমন্ত্রীরা। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় গত ২১ সেপ্টেম্বর পঞ্চম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আরসিইপি যৌথ কমিটির (আরজেসি) দেয়া সুপারিশে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানান সদস্যদেশগুলোর বাণিজ্যমন্ত্রীরা।

islami bank
Header Advertisement

অনলাইন জরিপ

রোহিঙ্গা সংকটের বোঝা অনির্দিষ্টকাল বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ কত্বব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

Header Advertisement
ক্যাথলিক চার্চে ভাঙচুর, গ্রেফতার ১ 

ক্যাথলিক চার্চে ভাঙচুর, গ্রেফতার ১ 

বাগেরহাটের চিতলমারীতে ক্যাথলিক চার্চে অনধিকার প্রবেশ করে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় চার্চে থাকা মা মারিয়ার মূর্তি পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে চার্চের পাশের পুকুর থেকে মূর্তিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের বরাতে জানানো হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে চিতলমারী থানাধীন নতুন কালশিরা গ্রামের সেন্ট পিটার্স ক্যাথলিক চার্চে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মো. ফায়জুল শেখ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি চার্চের বারান্দায় প্রবেশ করে দেয়ালের সঙ্গে থাকা কাঁচের বক্স ভাঙচুর করেন। এতে বক্সের মধ্যে থাকা মা মারিয়ার মূর্তিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে তিনি মূর্তিটি পাশের পুকুরে ফেলে দেন।

আবাসিক এলাকায় বিড়ির কারখানা, তীব্র গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আবাসিক এলাকায় বিড়ির কারখানা, তীব্র গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আকুয়া এলাকায় আবাসিক বসতবাড়ির মধ্যে মিঠু বিড়ি কারখানা পরিচালনা করা হচ্ছে। কারখানার মালিক শাহিন মিয়া। আবাসিক এলাকার মধ্যে বিড়ি উৎপাদন করায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কারখানা থেকে ধোঁয়া বা দৃশ্যমান বর্জ্য বের হওয়ার বিষয়টি প্রধান সমস্যা নয়। বরং বিড়ি তৈরির কাঁচামাল ও প্রক্রিয়াজাতকরণের তীব্র গন্ধ আশপাশের বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ গন্ধে অনেকেই অস্বস্তিতে থাকছেন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

Header Advertisement
Header Advertisement