Apan Desh | আপন দেশ
পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক এক পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার সহকারি প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির। তিনি বলেন, বৈঠকে পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বৃদ্ধি, বায়ু-পানি-মাটি-শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ-বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তবায়ন অগ্রগতিসহ ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

islami bank
Header Advertisement
umchltd
Shopno
Header Advertisement
Header Advertisement
ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরুদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ে একসঙ্গে ১৬ শিক্ষার্থীর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার একদিন পর প্রশাসনের তদন্তে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশের ধানখেতে স্প্রে করা এসিমিক্স কীটনাশকের বিষাক্ত বাষ্প শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। এ সময় তার সঙ্গে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ১০ম শ্রেণির ১৬ জন শিক্ষার্থী শ্রেণি কক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

চোখে অন্ধকার নামলেও মেয়ের স্বপ্নে আলো জ্বলে আবুল কালামের

চোখে অন্ধকার নামলেও মেয়ের স্বপ্নে আলো জ্বলে আবুল কালামের

বিকেল পাঁচটা বাজলেই আবুল কালাম আজাদের পৃথিবীটা যেন অন্ধকার হয়ে আসে। দিনের আলো তখনও স্পষ্ট, স্কুলের মাঠে শিক্ষার্থীদের ছোটাছুটি, ব্যস্ত সড়কে মানুষের চলাচল, সবকিছুই স্বাভাবিক। অথচ তার চোখে ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে আসে চারপাশ। কিছুক্ষণ পর মানুষ, রাস্তা কিংবা দোকানপাট কিছুই আর ভালোভাবে দেখতে পান না তিনি। তাই প্রতিদিন অন্ধকার নামার আগেই গুটিয়ে নিতে হয় ঝালমুড়ির ছোট্ট পসরা। বয়স ৫০ বছর। প্রায় দুই দশক ধরে ঝালমুড়ি-চানাচুর বিক্রি করেই সংসার চালাচ্ছেন তিনি। কখনো বাগেরহাট সদর উপজেলার চিরুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের গেটের সামনে, আবার কখনো বিভিন্ন অনুষ্ঠান কিংবা মানুষের জমায়েতে গিয়ে ১০ টাকার ঝালমুড়ি ও চানাচুর বিক্রি করেন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ টাকার মতো বিক্রি হলেও লাভ থাকে সামান্য। সে আয় দিয়েই স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে চলে তার সংসার।

Header Advertisement
Header Advertisement