
ফাইল ছবি
আজ আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস। ২০০৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন ২৬ জানুয়ারিকে কাস্টমস দিবস হিসেবে ঘোষণার পর থেকে দিবসটি উদযাপন করছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউসিও) সদস্যভুক্ত ১৮৫টি দেশে একযোগে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
এবারের কাস্টমস দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ হয়েছে ‘কাস্টমস সেবায় প্রতিশ্রুতি দক্ষতা নিরাপত্তা প্রগতি’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এবারে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করবেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এনবিআর সদস্য হোসেন আহমদ।
দিবসটি উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে মতবিনিময় সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশেষ পোস্টার ও উৎসাহব্যঞ্জক স্লোগানসংবলিত স্টিকার, বিলবোর্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করা হবে।
দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত ও শক্তিশালী করে সমৃদ্ধ রাজস্বভাণ্ডার গঠনে বাংলাদেশ কাস্টমস অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। পরিবর্তিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাস্টমস আমদানি-রপ্তানি সহজীকরণ ও পণ্যের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির গতি ফিরিয়ে আনবে বলে মনে করি।
প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাসেলসে কাউন্সিল অব কাস্টমস কো-অপারেশন (সিসিসি) গঠিত হয়। দুই বছর পর ১৯৫২ সালের ৪ নভেম্বর শুরু হয় এর কার্যক্রম। ১৯৫৩ সালের ২৬ জানুয়ারি এর প্রথম সেশনে ইউরোপের ১৭টি দেশ উপস্থিত ছিল। সেসব দেশ বিশ্বব্যাপী এর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সূচনা করে। ১৯৯৪ সালে সিসিসি নাম পাল্টে গঠিত হয় ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও)। বর্তমানে ১৮৫টি দেশ এ সংগঠনের সদস্য। এ সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯৩টিতে উন্নীতের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।