Apan Desh | আপন দেশ

বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে সীমান্ত হত্যা বন্ধের আহবান

নিজস্ব প্রতিবদেক

প্রকাশিত: ২০:১৯, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

বিজিবি-বিএসএফ বৈঠকে সীমান্ত হত্যা বন্ধের আহবান

বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরী বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীকে স্বাগত জানান।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সীমান্ত হত্যা পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিজিবি। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বিজিবির মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়। বিজিবি জানায়, সীমান্তে অপরাধীদের গ্রেফতার করে প্রচলিত আইনে শাস্তি দেয়া উচিত। কাউকে গুলি করে মেরে ফেলা মোটেই মানবিক নয়। বাংলাদেশের কাছে বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর।

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বার্ষিক এ বৈঠকে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা সবসময় সীমান্ত হত্যা বন্ধের চেষ্টা করছে। তবে কিছু কিছু পরিস্থিতিতে গুলি চালানো ছাড়া উপায় থাকে না। তারা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সমন্বিত করার ওপর জোর দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিল্লির লোদি রোডের সিজিও কমপ্লেক্সে বিএসএফের সদর দফতরে এ বৈঠক শুরু হয়। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি)ছিল বৈঠকের দ্বিতীয় দিন। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকের তৃতীয় ও শেষ দিন। বিজিবি প্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার ঢাকা ফিরবেন।

এটি ছিল ৫৫তম বার্ষিক বৈঠক। বিজিবি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। আর বিএসএফের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন দলজিৎ সিং চৌধুরী। বৈঠকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিজিবি একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়ার বিরোধিতা করে।

বিজিবি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। যা ভারতের দিকে কিছু এলাকায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি করেছে। বিএসএফ বৈঠকে দাবি করেছে, তারা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের স্বীকৃত বোঝাপড়া অনুযায়ী কাজ করছে। কোনো একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। বিজিবির উচিত দুই দেশের সার্বভৌম সরকারের সে সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয়া।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেড়া দেয়ার আগে দুটি বাহিনীর যৌথ জরিপ করা উচিত। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সে সিদ্ধান্ত মানা হচ্ছে না। এ কারণে আপত্তি উঠেছে। কোথাও কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে।

বৈঠকে সীমান্ত চোরাচালান বন্ধ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের শেষে বিএসএফ বিজিবি প্রতিনিধিদলের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে। এবারের সফর ছিল সংক্ষিপ্ত। মাত্র চার দিন। যা আগে ৫-৬ দিন হতো।

আপন দেশ/এমবি

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়