
ছবি : আপন দেশ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষরা। যে কারণে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে ভির বাড়ছে। এমন অবস্থায় ট্রেনের টিকিট বিক্রির অনলাইন সেবা (ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ) বন্ধ হয়েছে। পাশাপাশি কাউন্টারেও বন্ধ রয়েছে আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি। এতে পড়েছেন ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
শুক্রবার (০৪ এপ্রিল) কমলাপুর (ঢাকা) রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পাশাপাশি অনলাইয়ে ঢুকে টিকিট বিক্রির অ্যাপ বন্ধ পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার তৈরি হয়েছে। যদিও রেলওয়ে আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করে থাকে।
ট্রেনের টিকিট বিক্রির কাউন্টার সফটওয়্যার বন্ধ থাকায় কাউন্টার থেকে শুধুমাত্র ব্ল্যাক পেপার টিকিট (বিপিটি) দেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। আন্তঃনগর ট্রেনের কোনো আসন দেয়া হচ্ছে না।
টিকিটপ্রত্যাশী যাত্রীরা জানান, আজ (শুক্রবার) শুধুমাত্র হাতে লেখা টিকিট দেয়া হচ্ছে। কোন সিট আছে কিনা সেটি দেখার সুযোগ নেই। তারা শুধু স্ট্যান্ডিং টিকিট দিচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। একজন লিখেছেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই লং টাইম সহজের অ্যাপ, সাইট বন্ধ। ভোগান্তির একটা সীমা তো থাকা চাই।
আরেকজন লিখেছেন, চাকরিজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলি যেকোন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে যেখানে জনসাধারন সরাসরি জড়িত, যেকোনো ধরনের সিস্টেম আপগ্রেডেশান করতে হলে আগাম নোটিশ দিতে হয়। সহজ.কম কোন হিসাবে কোনো ধরণের ঘোষণা ছাড়া সিস্টেম আপগ্রেডেশানের কাজ করে লম্বা সময় ধরে কোনো ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়া? রেল কি বিষয়টা জানতো? না জানলে সহজ থেকে জবাবদিহিতা চাওয়া উচিত। রেল মন্ত্রণালয়েরও উচিত রেলের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ এবং সহজ থেকে যথাযথ ব্যাখ্যা চাওয়া। কিছু সময় আগে সহজের জবাবটা একেবারেই দায়সারা মনে হলো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, গত রাতে টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইটের সার্ভার স্লো হয়ে গিয়েছিল। সেটা ঠিক করতে গিয়ে পুরোটা একসঙ্গে শাটডাউন হয়ে গিয়েছে। আমরা এখন আমাদের প্রিন্টেড টিকিট দিয়ে যাত্রীদের সেবা দিচ্ছি। যদিও আমাদের সব টিকিট অ্যাডভান্স বিক্রি হয়ে গিয়েছে।
তিনি আরও জানান, গতকাল রাত থেকে এটি ঠিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা আমাদের জানিয়েছে শুক্রবার দুপুরের মধ্যে এটি ঠিক হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকিট বিক্রির সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে সহজ-সিনেসিস-ভিনসেন জেভি।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।