
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া লন্ডনে রয়েছেন। তার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ আছেন।
মঙ্গলবার (০৪ মার্চ) লন্ডন থেকে টেলিফোনে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
অধ্যাপক জাহিদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো। লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে উনি ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগোচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মানসিক প্রশান্তি তার সুস্থতার হারকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিবারের সান্নিধ্যে থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন।
গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। হিথরো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় তাকে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বর্তমানে তিনি তারেক রহমানের বাসায় আছেন।
সেখানে লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসা চলছে। জাহিদ হোসেন বলেন, লন্ডনের নিয়ম মেনে বাসায় থেকেই তার চিকিৎসা চলছে। প্রতি সপ্তাহে চিকিৎসকরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ওষুধপত্র দিয়ে সুস্থতার চেষ্টা করছেন।
জাহিদ জানান, দীর্ঘ সাত বছর পর ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান, নাতনি ব্যারিস্টার জায়মা রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শায়লা রহমান ও তার দুই কন্যাকে কাছে পেয়ে খালেদা জিয়া মানসিকভাবে অনেকটা সুস্থ।
আরও পড়ুন>>>লন্ডনে কেমন আছেন খালেদা জিয়া?
তিনি বলেন, পরিবারের সান্নিধ্যে তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। সবার দোয়া ও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় ম্যাডাম এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন।
কবে দেশে ফিরবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ বলেন, লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা যখন মনে করবেন উনি ভ্রমণের উপযুক্ত তখনই তিনি দেশে ফিরবেন।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা, হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ নানা রোগে ভুগছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়ার দাবি বহুদিন ধরেই জানিয়ে আসছিল বিএনপি।
আপন দেশ/এমবি
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।