
ছবি: সংগৃহীত
ভারত সফর থেকে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা বাংলাদেশ কোনোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। ব্যাটিং উন্নতিতে কৌশল পরিবর্তন বা চেষ্টাগত কোনো পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। একই মানসিকতা নিয়ে উইকেটে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, আর ফিরে আসছেন অসহায় আত্মসমর্পণ করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে ক্যারিবিয়দের বিপক্ষেও একই রোল প্লে করছে লাল সবুজের ব্যাটাররা।
জ্যামাইকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শুরু থেকেই উইকেট পড়া শুরু হলো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে। তাতে লাঞ্চের আগেই বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগে। মাত্র ৯৮ রানে হারাতে হয় ৬ উইকেট।
পরের ১৪ ওভার মড়ক ঠেকালেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। দুজনের ২৪ রানের ছোট জুটিতে একশ রান পাড় করেছে বাংলাদেশ। টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথম সেশন শেষে ৬ উইকেটে ১২২ রান তুলেছে সফরকারীরা। এরপর বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৬৪ রানে।
মাত্র ৮ ওভার ও ১৫ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশ মিডলঅর্ডারের চার ব্যাটার নেই। শাহাদাত হোসেনের (২২) পর লিটন দাস (১), প্রথম টেস্টে ভালো করা জাকের আলি (১) ও একমাত্র হাফসেঞ্চুরিয়ান সাদমান (৬৪) বিদায় নেন। এতে ঘোর বিপদে পড়ে দল।
ব্যাটিং ধস থামে অধিনায়ক মিরাজ ও তাইজুলের ইনিংসে। তাইজুল বোলার হয়েও উপরের ব্যাটারদের দেখালেন উইকেটে টিকে থেকে বিপদ দূর করার কৌশল। মিরাজ ফেরেন ৩৬ রানে। জেইডেন সিলসের শর্ট বলে ফাইন লেগে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দেন ১৮৩ মিনিট ক্রিজে থেকে ৭৫ বলে ৩৬ করা মিরাজ।
এর আগে তাইজুল আউট হন ৬৬ বলে ১৬ করে। আলজারি জোসেফের লাফিয়ে ওঠা বলে তাইজুল স্লিপে জাস্টিন গ্রিভসের হাতে ক্যাচ দিতেই ভাঙে মিরাজের সঙ্গে তাইজুলের ৪১ রানের জুটি। এছাড়া তাসকিন করেন ৮ রান।
১৫.৫ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন জেইডেন সিলস। তিনি মেডেন পান ১০টি।
জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম দিন শেষ করেছে ১ উইকেটে ৭০ রানে। একমাত্র উইকেটটি নাহিদ রানার।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।