Apan Desh | আপন দেশ

মৃত্যু

এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আর নেই

এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আর নেই

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১২ মার্চ) সকালে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। এপেক্স গ্রুপের এক কর্মকর্তা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং গ্রে অ্যাডভারটাইজিং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

০৯:৪৭ এএম, ১২ মার্চ ২০২৫ বুধবার

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবদুল্লাহ আল নোমানের ব্যক্তিগত সহকারী নুরুল আজিম হিরু। তিনি বলেন, ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল্লাহ আল নোমান। পরে দ্রুত স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার জানাজাসহ পরবর্তী কার্যক্রম দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

০৯:০৬ এএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ মঙ্গলবার

দিল্লি রেলস্টেশনে পদদলিত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু

দিল্লি রেলস্টেশনে পদদলিত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু

নিউ দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পদদলিত হয়ে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী ও ৪ শিশু রয়েছে। এলএনজেপি হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১০ নারী, তিন শিশু ও দুই পুরুষ এলএনজেপি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া লেডি হার্ডিং হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রেলওয়ে বিভাগ ঘটনাটির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি, গুরুতর আহতদের ২ লাখ ৫০ হাজার রুপি ও সামান্য আহতদের এক লাখ রুপি আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

০৯:০৭ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রোববার

জুলাই আন্দোলনে ১৩ শতাংশ শিশু নিহত 

জুলাই আন্দোলনে ১৩ শতাংশ শিশু নিহত 

বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্টে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২-১৩ শতাংশ শিশু ছিল। অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতায় তাদের ৪৪ জন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালায়। এতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। যা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

০৪:০৯ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement