Apan Desh | আপন দেশ

প্রকৌশলী

জামালপুর জনস্বাস্থ্যের কোটিপতি অফিস সহকারী হোয়াইট বাবু ছায়া নির্বাহী!

জামালপুর জনস্বাস্থ্যের কোটিপতি অফিস সহকারী হোয়াইট বাবু ছায়া নির্বাহী!

শেখ হাসিনার জামানায় গোপালগঞ্জের পরই বেশি বরাদ্দ জামালপুরে। ওই বরাদ্দের বেশিরভাগ হলো জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে। উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আর বেশিরভাগ লোপাট হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানে। অনেক ঠিকাদার শতশত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আবার অনেকে সহায়সম্বল হারিয়েছেন এখানে। সরকারি বিধিভঙ্গই এখানকার নিয়ম। এখানেই হরণ করা হয়েছে অনেক নারীর সম্ভ্রম। আর ছাপোষা অফিস সহকারী থেকে অর্ধশত কোটিপতি বনে গেছেন এ অফিসে অপকর্ম করেই। অনিয়ম-দুর্নীতির সজ্ঞায় যা যা পড়ে তার প্রায় সবকিছুই ঘটেছে এখানকার প্রতিষ্ঠানটিতে। তাতে রাজনৈতিক শেল্টার দিতেন পলাতক শাসক দলীয় মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় ক্যাডাররা। 

০৮:১৮ পিএম, ২১ মার্চ ২০২৫ শুক্রবার

শিক্ষা প্রকৌশলের প্রধান, হর্ষে আগমন বিষাদে বিদায়

শিক্ষা প্রকৌশলের প্রধান, হর্ষে আগমন বিষাদে বিদায়

দেশের জাতীয় বাজেটে যে কয়টি খাতে বেশি বরাদ্দ রাখা হয় তারমধ্যে অন্যতম শিক্ষাখাত। এ বরাদ্দের বেশিরভাগ ব্যয় করা হয় শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে। যার চাবিকাঠি থাকে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলীর হাতে। স্বাভাবিকভাবেই ইইডির চিফের চেয়ারে বসতে লাগে বহুমাত্রিক যোগ্যতা। গত ১০ জন প্রধান প্রকৌশলীর আমলনামা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দায়িত্ব নেয়ার সময় তাদের হাতে দেয়া হয় ফুলের তোড়া। হর্ষে ভাসে অধিদফতর। কেউ মেয়াদকাল শেষ করতে পারেন আবার কারো বিদায় নিতে হয় মেয়াদপূর্তির আগেই। দায়িত্ব পালনকালে নিজ কর্মগুণের ফলভোগ করতে হয়। কারো নামে ঝুলছে বিভাগীয় মামলা। কারো চাকরি আছে কাজ নেই। কারো বরণটা হর্ষের হলেও বিদায়টা হয়েছে বিষাদের। ঘটা করে বিদায়মালা গলায় পরাতো দূরের কথা ‘ইজ্জত রক্ষাটাই’ ছিল বিধাতার কাছে পরম চাওয়া। 

০৪:৩০ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ মঙ্গলবার

ছয় সিনিয়র ডিঙ্গিয়ে ইইডির প্রধান হলেন প্রকৌশলী আলতাফ

ছয় সিনিয়র ডিঙ্গিয়ে ইইডির প্রধান হলেন প্রকৌশলী আলতাফ

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগে ফের সুপারসেড করা হলো। কয়েকজনকে ডিঙ্গিয়ে প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন) দায়িত্ব দেয়া হলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনকে। এ পদে রুটিন দায়িত্বে ছিলেন মো. জালাল উদ্দিন চৌধুরী। দুজনই সুপারসিটের সুবিধা পেলেন। আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) জালালের মেয়াদ শেষ হলে মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনকে দায়িত্ব দেয় শিক্ষামন্ত্রণালয়। দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব আম্বিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

০৪:৩০ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ রোববার

ইইডির চিফ ইঞ্জিনিয়ার পদের তদবিরে সমন্বয়ক-জামায়াত-আমলা

ইইডির চিফ ইঞ্জিনিয়ার পদের তদবিরে সমন্বয়ক-জামায়াত-আমলা

দেশের বাজেটের অপেক্ষাকৃত বেশি বরাদ্দ শিক্ষা খাতে। আর সে বরাদ্দের বেশিরভাগই খরচ হয় শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে। যার দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর। এ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীর পদটি বৈধ-অবৈধভাবে আয়ের জন্য ‘সোনার হরিণ’। আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে ‘হরিণ’ ধরতে চলছে চতুর্মুখী তদবির। কেউ চায় পদোন্নতিসহ পদ, কেউ চায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আবার ফের সুপারসিট করে বাগাতে চায় পদটি। পদ প্রত্যাশীদের ইচ্ছাপুরণে যারা তদবিরে নেমেছেন তাদের তালিকায় আসছে সমন্বয়ক, রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এবং আমলাদের নাম। 

০৭:০৭ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ মঙ্গলবার

ইইডিতে প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে গোপন বৈঠক! খতিয়ে দেখছে প্রশাসন

ইইডিতে প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে গোপন বৈঠক! খতিয়ে দেখছে প্রশাসন

চলতি বছরের ১০ নভেম্বর শহীদ নুর হোসেন দিবস ঘিরে ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বড় চক্রান্ত। যার নেপথ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইণ্ডিয়ায় পলাতক শেখ হাসিনা। ওই দেশে বসেই তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নানা কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছেন। নির্দেশিত হয়ে শো-ডাউনের পরিকল্পনা ছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগেরও। বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছিল। গোপন বৈঠক হয়েছে বিভিন্ন অফিসে। তেমনই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গোপন বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।

০৪:৫২ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০২৪ শনিবার

প্রধান নয়, অতিরিক্ত প্রধানে আস্থা মন্ত্রণালয়ের!

প্রধান নয়, অতিরিক্ত প্রধানে আস্থা মন্ত্রণালয়ের!

ঘটনা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের। প্রকল্পের কাজ শেষ না করেই সমুদয় টাকা উত্তোলনসহ ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের খোঁজে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। বড় দুর্নীতি তাই অধিদফতরের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. সরোয়ার হোসেনের নেতেৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। আবার একই ঘটনায়, একই অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মীর আব্দুস সাহিদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের অন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয় মন্ত্রণালয। চাউর অনিয়মের ঘটনা তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম দেখা দিয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ে অতিরিক্ত প্রকৌশলীর উপরই আস্থা বেশি মন্ত্রণালয়ের।

০২:২০ এএম, ২১ জুন ২০২৩ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement